মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

লিয়াকত আলী স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজ

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

তখন ইংরেজী ১৯৫০ সাল। সবেমাত্র ভারত উপমহাদেশ ভেঙ্গে ‘‘পাকিস্থান’’ ও ‘‘হিন্দুস্থান’’ এর গোড়াপত্তনের মাত্র তিন বৎসরকাল অতিক্রামেত্মর পথে। আকস্মিকভাবেই তৎকালীন পাকিস্থানের প্রধান মন্ত্রী ‘‘কায়দে-মিলস্নাত লিয়াকত আলী খান’’ আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। সে কারণে পাকিস্থান ব্যাপী শোক পালন চলছিল। এরই প্রেক্ষিতে নারম্নয়া ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র নারম্নয়া বাজারের বটতলায় বসে শোক সভা। সভার সমাপনীতে সিদ্বামত্ম গৃহীত হয়, এখানে ‘লিয়াকত আলী  মেমোরিয়াল হাই স্কুল’ নামে একটি উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হোক। দলমত নির্বিশেষে উপস্থিত জনতা এ প্রস্থাবে অত্যমত্ম আনান্দিত হয়। নারম্নয়া বাজার তৎকালীন বালিয়াকান্দি থানার অত্যমত্ম প্রসিদ্ধ ব্যবসা কেন্দ্র হিসাবে ছিল পরিচিত। দক্ষিন-পশ্চিম দিক দিয়ে প্রবাহিত গড়াই নদী। আর মূল বাজার সংলগ্ন একটি মরা নদী, নাম ‘চিত্রা’। প্রায় আয়তাকার নারম্নয়া ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র ‘নারম্নয়া বাজার’ সেদিন ছিল খুবই জমজমাট। গড়াই নদীর অপর পাড়ে দক্ষিণ দিকে তখন যশোহর জেলা বর্তমান মাগুরা। উত্তরে পাংশা থানা। ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী সমগ্র অঞ্চল তখন এক প্রত্যমত্ম গ্রামীণ এলাকা। খাল-বিল বাওর ঘেরা কৃষিভিত্তিক এক জনপদ। শিক্ষার হার অত্যমত্ম নগন্ন এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে নেহায়েত ছিল না বললেই চলে। আশপাশ পাঁচ ছ’টি ইউনিয়নের মধ্যে ‘পাটকিয়াবাড়ী এম,ই,স্কুলই(MIDDLE ENGLISH SCHOOL)একমাত্র উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটাও স্থাপিত হয় ১৯৩২ সালে। মোঃ ইসমাইল হোসেন এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে আরও উলেস্নখ্য এই যে, তিনিই নারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হন ১৯২৭ সালে। তিনি সময় কোন সরকারী চাকুরীতে না গিয়ে একাধারে শিক্ষকতা ও নারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে আমৃত্যু দায়িত্ব পালন করেন। পাটকিয়াবাড়ী এম.ই.স্কুলের প্রথম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত রেখে  ১৯৫১ সালের ২ জানুয়ারী এই ‘লিয়াকত আলী  মেমোরিয়াল হাই স্কুল’ নারুয়া বাজারে মোঃ আমীর আলী মন্ডল সাহেবের লম্বা একটি টিনের ঘরে ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়। সে সময় স্কুলের জায়গা জমি নির্ধারন নিয়ে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। বিষটির সুরাহা করেন এতদাঞ্চলের এক কর্মবীর বিলধামু নিবাসী জনাব মোঃ ফটিক মন্ডল সাহেব। তিনিই প্রথম তার নিজ জমি সহ তার গ্রামের অন্যান্য বহু লোকের জমি দানসূত্রে ও এওয়াজ বদলের মাধ্যমে অখন্ডভাবে ২.৮৫ একর জমি প্রতিষ্ঠানের নামে প্রদান করেন। এরপর প্রতিষ্ঠানের গৃহ নির্মানে এলাকার তৎকালীন বহু গণ্যমান্য লোকসহ ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি গ্রামের লোকের চাঁদার মাধ্যমে তহবিল গঠন পূর্বক একটি টিনের নির্মানে ব্রতী হন। নারুয়া ইউনিয়নে তখন প্রায় সাড়ে সাতশত আনছার এক গুরম্নত্বপূর্ন অবদান রাখে এই প্রতিষ্ঠানের জন্য। আজ দীর্ঘদিন পর সে সময়ে এ প্রতিষ্ঠানের জন্য নিরলস যে সমসত্ম ব্যক্তিত্ব প্রসংসার ভূমিকা পালন করেছিলেন তার মধ্যে কতিপয় ব্যক্তির নাম উলেস্নখ না করলেই চলে না। তারা হচ্ছেন আলহাজ্ব ইয়ারচাঁদ মলিস্নক,মোঃ হাতেম উদ্দিন, মুন্সি ইয়ার উদ্দিন আহম্মেদ,মোঃ নখাতুলস্না শেখ, মোঃ ঢলু মন্ডল,মোঃ মুনছুর আলী মোলস্না, কাজী নেয়ামত আলী, মোঃ শাহাদৎ হোসেন মোলস্না, ডাঃ মাখনলাল রায়, সূর্য্যকুমার সাহা,মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মোলস্না, মোঃ দায়মদ্দিন লস্কর, মোঃ শফি উদ্দিন মোলস্না, মোঃ আব্দুল ওয়াজেদ মোলস্না, মোঃ আঃ করিম মোলস্না,  মোঃ জয়েন উদ্দিন খান ও মোঃ আবুল কাশেম মন্ডল। এছাড়াও আরও ছিলেন অনেকে যাদের নাম হঠাৎ স্মরনে না আসলেও জড়িয়ে আছে প্রতিষ্ঠানের এই স্মৃতি চত্বরে। এর পর ১৯৫৪ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাকেরগঞ্জ রেঞ্জ থেকে ২৩/০৯/৫৪ইং তারিখের ২৯১৯ স্মারক মোতাবেক প্রথম স্বীকৃতি লাভ করে এই প্রতিষ্টান মাধ্যমিক সত্মর হিসাবে। ১৯৫৫ইং সালে সর্ব প্রথম ঢাকা বোর্ডের অধীনে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা অংশ গ্রহণ করে। গত ১৯৯৪ সালে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বহুগুন বৃদ্ধি পায়। নিয়মানুযায়ী ঢাকা বোর্ডকে অবহিত করে ডাবল শিফট চালু করার প্রার্থনা জানানো হয়। বোর্ড নির্ধারিত ফি জমা নিয়ে পরিদর্শক পাঠিয়ে তদমত্ম সমাপ্ত করে রিপোর্ট  প্রদান করে। ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ডাবল শিফট হিসাবে এই প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করে। প্রয়োজনীয় একটি ভবনসহ আসবাবপত্রও প্রদান করেছে কিন্তু ঢাকা বোর্ড এখনও বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রেখেছে। ১৯৯৫ইং সালে ছাত্রীদের জন্য প্রভাতী শাখা সকাল ৭টা থেকে এবং ছাত্রদের জন্য দুপুর ১২টা থেকে চালু করা হয়েছে। একই বৎসর প্রতিষ্ঠান থেকে শতকরা ৯৩% এসএসসি পাশ করায় প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেনী খোলার জন্য বোর্ডে আবেদন করলে, বোর্ড স্কুলের সঙ্গে ১৩/০৫/৯৫ইং তারিখে ৫৪৫/ক/স্বী/৬২১ স্মারকে অনুমতি প্রদান করে। তৎকালীন মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য রাজবাড়ী-২ জনাব মোঃ জিলস্নুল হাকিম। তারই ঐকামিত্মক প্রচেষ্টায় ১৯৯৯ইং সালে কলেজ শাখা এমপিও ভুক্ত হয়। ২০০৩ইং সালে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড  থেকেও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা কোর্সের স্বীকৃতি লাভে সমর্থ হয়েছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোঃ সিরাজুল ইসলাম 0 akashem17@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
গোলক চন্দ্র জোয়ারদ্দার 01720024264 akashem17@yahoo.com
মো: আয়ুব আলী 01717606856 akashem17@yahoo.com
মো: আখিরুজ্জামান 01729931940 akashem17@yahoo.com
সালেহা খাতুন 01716423406 akashem17@yahoo.com
রোকেয়া খাতুন 01736797653 akashem17@yahoo.com
মো: বেলাল উদ্দিন আহম্মেদ 01716422229 belalkhan1969@gmail.com
ইতি রানী দে 01713549617 belalkhan1969@gmail.com
রাম প্রসাদ পাল 01725002510 belalkhan1969@gmail.com
মুহাম্মাদ ইদ্রিস আলী 01714744702 belalkhan1969@gmail.com
সৈয়দ আলী 01714617180 belalkhan1969@gmail.com
মোহাম্মদ লুৎফর রহমান 01718793402 belalkhan1969@gmail.com
মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম 01718812264 akashem17@yahoo.com
মোহাম্মাদ আলমগীর হোসেন 01715796023 alamgirhosen46@gmail.com
মো: আব্দুর রহিম 01716576255 akashem17@yahoo.com
বেবী নাসরীন 01725000971 belalkhan1969@gmail.com
আব্দুস সবুর 01814794187 belalkhan1969@gmail.com
রুপিয়া খাতুন 01747064700 belalkhan1969@gmail.com

৯০

বিগত ৫ বছরের সমাপনী

৮০/%

পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল

স্কুল-২০০৮-৫৭%, ২০০৯-৮২%, ২০১০-৭৮%, ২০১১- ৮৬%, ২০১২-৭০%

কলেজ-২০০৭-৬৪%, ২০০৮-৮২%, ২০০৯-৪০%, ২০১০-৫১%, ২০১১-৫৭%

বিএম-২০০৭-৫০%, ২০০৮-৯১%, ২০০৯-৯৬%, ২০১০-৭২%, ২০১১-৪৩%

অর্জন

সাফল্যের ধারাবাহিকতায় উপজেলার শীর্ষ প্রতিষ্ঠান গুলির মধ্যে অন্যতম

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

প্রযুক্তিগত শিক্ষা সহ শীর্ষ স্থান দখল করার প্রচেষ্টা

0